1. 24sirajganj@gmail.com : Md Masud Reza : Md Masud Reza
  2. admin@dailysirajganjnews.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে খামারিদের মাঝে গো-খাদ্য বিতরণ করলেন -এমপি   হাবিবে মিল্লাত মুন্না  সিরাজগঞ্জে নগর দরিদ্র সু-রক্ষা ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ” দূরত্ব না হয় থাকুক” বেলকুচিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বন্ধু হওয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রেখে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মী ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নিরসন ও গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রদায়িকতা রুখে দেয়ার প্রত্যয়ে নববর্ষবরণ উৎসব উদযাপিত  ইসলামিক ফাউণ্ডেশন সিরাজগঞ্জের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত শিয়ালকোল ভাষা সৈনিক মোতাহার হোসেনতালুকদার যুব পরিষদের অফিস উদ্বোধন উল্লাপাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু তাড়াশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

সিরাজগঞ্জে দরপত্রে অনিয়মের দুই মাস পার হলেও শাস্তি না দিয়ে উল্টো কাজ দেওয়ার চেষ্টা

  • Update Time : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৯ Time View


নজরুল ইসলাম:
দরপত্র অনিয়মে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অকৃতকার্য হওয়ায় শাস্তি না দিয়ে উল্টো ওই প্রতিষ্ঠানকে অবৈধভাবে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কাজ নিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুলের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৯জানুয়ারী পাবনা-বগুড়া চলন বিলের মাঝে যাতায়াতের আরসিসি প্রকল্প রাস্তার দরপত্রে অংশ নেয় তিন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
 তারা হলেন- ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড, মিম কনস্ট্রাকশন ও জিনাত আলী জিন্নাহ লিঃ।
এদিকে আরসিসি রাস্তার কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায়, মিম কনষ্ট্রাকশন অকৃতকার্য ঘোষনা করেন। পরে ইউনুস এন্ড ব্রাদার্সের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে  অনুমোদনের জন্য প্রকল্প পরিচালক বরাবর পাঠিয়ে দেন অফিস। এর দুই মাস সময় চলে গেলেও পরবর্তী কার্যক্রম এখনোও ঝুলে আছে বলে ভুক্তভোগী ঠিকাদার জানান।
তিনি আরো জানান, দরপত্রের আইন অনুযায়ী, দরপত্রে মিম কনষ্ট্রাকশন মিথ্যা তথ্য দিয়ে দরপত্রে অংশ নেওয়ায় ২ বছরের কম-বেশি শাস্তি হওয়ার কথা। যা তার বিরুদ্ধে আজও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উল্টো দরপত্র পুনঃ মূল্যায়নের নামে অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার পাঁয়তারার চেষ্টা করছেন নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম।
এর আগে, খাল খননে অনিয়ম-দুর্নীতি, ভুয়া মাষ্টাররোল ও  কাজ না করেই বিল উঠানো,ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে দরপত্র ছাড়াই নিম্নমানের কাজ বাস্তবায়ন- এমন ডজন খানেক অভিযোগ সিরাজগঞ্জের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে কয়েকটি অভিযোগ তদন্তে প্রমাণও মেলে। একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বদলিও করা হয় সফিকুল ইসলামকে। তবে উপর মহলকে ম্যানেজ করে এখনো বহাল তবিয়তে থেকে ‘ডোন্ট কেয়ার’ নীতিতে চলছেন তিনি। ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশে এবার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বিতর্কিত সেই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানির পর দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির অনেকেই বিভ্রত।
সিরাজগঞ্জ এলজিইডিসহ একাধিক সূত্র বলছে, পাবনা-বগুড়া প্রকল্পে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক হতে তাড়াশের বারুহাস হেদার খাল ভায়া কুন্দইল সুন্দরীয়া রাস্তা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তার দরপত্র আহবান করে এলজিইডি। দরপত্রের আইডি-৯০৭২২৪, চেঃ ৫১৮৫ – ১১১৯৯ ও রাস্তার আইডি-১৮৮৮৯২০১৭। সেই দরপত্রে পুনঃ মূল্যায়নের নামে অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার পাঁয়তারার চেষ্টা করছেন। যা নিয়ে ইতোমধ্য লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে।
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বরাবর সেই লিখিত অভিযোগ করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ঠিকাদার কবির তালুকদার। তার অভিযোগ, অনৈতিক লেনদেনে রাজি না হওয়ায় মূলত পুনঃমুল্যায়নের নামে অন্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার পাঁয়তারা চলছে। অথচ গত ৯ জানুয়ারি একই প্রকল্পে অন্য একটি দরপত্রে অংশ নিয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জনাব জুলফিকারের ভাই রবান্নী বরেদ্র লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন নিয়ে কাজ শুরুর প্রক্রিয়া করছে। কিন্তু আমার কাজটি অনুমোদন না দিয়ে উল্টো অনৈতিক লেনদেনের প্রস্তাব দেয়। এতে আমি রাজি হইনি। পরে জানতে পারি দরপত্র পুনঃ মূল্যায়নের জন্য আবার জেলায় পাঠানো হয়েছে।
তার দরপত্রটি বাদ দেয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম ও প্রকল্প পরিচালক মোর্শেদ সাহেবের গোপন আঁতাতের বিষয়ে অভিযোগ করে প্রধান প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এ কাজের দরপত্র কমিটির সদস্য সিরাজগঞ্জ সড়ক বিভাগের এসডি জাহিদুর রহমান মিলু জানান, কাজটির প্রথম দরদাতা মিম কনষ্ট্রাকশন আরসিসি কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায় ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে
মূল্যয়ন করে ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়েছিল। এখন পুনঃ মূল্যায়নে আবার ফেরত পাঠানো হয়েছে, যেখানে অনিয়মের অভিযোগ শুনছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, কাজটির মূল্যয়ন শেষ করে পাঠানো হয়েছিল। সেটি আবার পুনঃ মূল্যায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন উর্ধ্বতনরা যা করতে বলছে,সে রকম করতে পারব না। এভাবে একজন ব্যক্তির ডোন্ট কেয়ার নীতিতে চলার কারণে আমরা মামলার আসামি হতে চাই না।
দরপত্র কেন পুনঃ মূল্যায়ন করা হলো এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, এই প্রশ্ন ঢাকা অফিসকে জিজ্ঞাসা করেন। আর আমি এই কাজের আইডি নাম্বার না দেখে কিছুই বলতে পারব না।
এ বিষয়ে (পাবনা- বগুড়া) প্রকল্প পরিচালক মোর্শেদ জানান, আমার ভাই অসুস্থ। এই দরপত্রের বিষয়ে আপনাদের নিশ্চিত করতে পারি, এখানে কোনো অনিয়ম হবে না। কাজটির দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। দরপত্রে মিম কনস্ট্রাকশন অকৃতকার্য হয়েছে। তার আরসিসি রাস্তার কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। তাদের বিল্ডিং কাজের অনেক অভিজ্ঞতা আছে। দরপত্রে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অপরাধে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শাস্তি হওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ পাচ্ছি এই প্রতিষ্ঠানকেই কাজ দেওয়ার চেষ্টা করছে সফিকুল ইসলাম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
  • © All rights reserved © 2023 Daily Sirajganj News
Website Developed by UNIK BD
x