1. 24sirajganj@gmail.com : Md Masud Reza : Md Masud Reza
  2. admin@dailysirajganjnews.com : unikbd :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে খামারিদের মাঝে গো-খাদ্য বিতরণ করলেন -এমপি   হাবিবে মিল্লাত মুন্না  সিরাজগঞ্জে নগর দরিদ্র সু-রক্ষা ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে প্র‌শিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনের বিপক্ষে অপতথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফমের্র প্রস্তাব তথ্য প্রতিমন্ত্রীর নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জে দুই শিশু ও সৎ ভাগ্নিকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড আবুল হোসেনের মৃত্যুতে শিয়ালকোল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের গভীর শোক প্রকাশ ডজন খানেক অভিযোগ তবুও আছেন বহাল তবিয়্যতে সেই প্রকৌশলী পবিত্র শবে বরাত আজ তাড়াশে সাদা রেজাল্ট সিটে শিক্ষা কর্মকর্তা ও ডিজির প্রতিনিধির স্বাক্ষরেই শেষ নিয়োগ পরীক্ষা দরিদ্রদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরো সহজ করার উপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

সিরাজগঞ্জে জমিজমা নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ নিষ্পত্তি হচ্ছে না ছোট ভাইকে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করার অভিযোগ

  • Update Time : রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৯৩ Time View

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ 
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের মুগবেলাই গ্রামের মৃত বাবা-মায়ের সম্পত্তি থেকে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ছোট ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়াকে (৫৮) বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে মেজো ভাই রেজাউল হক মিয়ার (৬৬) বিরুদ্ধে। 

রেজাউল হক মিয়া ওই উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে রেজাউল হক পৈতৃক সম্পত্তি নিজের কব্জায় রেখে উল্টো ছোট ভাই ও তার স্ত্রীকে সাজানো ছয়টি মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। 

শনিবার (৪ নভেম্বর) রাতে সিরাজগঞ্জ শহরের দৈনিক কলম সৈনিক কার্যালয়ের মিডিয়া কনফারেন্স রুমে   এক সংবাদ সম্মেলনে ছোট ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন  ও তার স্ত্রী মোছাঃ তাছলিমা খাতুন এ অভিযোগ করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার বাবা আবুল হোসেন মিয়া ১৯৮১ এবং মা ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। আমি তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ছোট। পরবর্তী ২০০৩ সালে বড় ভাই শামছুল আলমও মৃত্যুবরণ করেন। এরপর মেজো ভাই রেজাউল হক বাবার ৩ বিঘা ২৯’শতক জমি ও মায়ের নামে ৩১ বিঘা ২৯ শতক জমি দেখভাল করছিলেন। কিন্তু ২০০৮ সালের দিকে আমি ওয়ারিশ হিসেবে জমি বন্টন করতে চাইলে আমার সাথে তিনি বিরোধে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে সে তার স্বার্থ হাসিল করতে আমাকে এবং  আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একে একে ছয়টি   মামলা দায়ের  করে। জমির ভাগ চাওয়ায় প্রথমে ২০০৮ সালের দিকে দেড় কোটি টাকা দাবি করে  মামলা দায়ের করে। 

মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী মা-বাবা মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশ সূত্রে আমরা ওই সম্পত্তির দাবীদার ও হকদার। কিন্তু সে সম্পত্তির লোভে পড়ে আমার প্রাপ্য সম্পত্তি বুঝে না দিয়ে উলটো ছয়টি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। 

জাহাঙ্গীর আরও বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী তাছলিমা খাতুন সুনামের সাথে শিক্ষকতা পেশায় রয়েছি। আমাদের দীর্ঘদিনের জমিজমার এ  বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আমি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব  অ্যাডভোকেট কে.এম হোসেন আলী হাসান সাহেব , কামারখন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম  শহিদুল্লাহ সবুজ৷ সাহেব এবং   সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এবং সম্পাদকের নিকট দারস্ত হই তারা একাধিকবার মীমাংসা করার চেষ্টা করলেও মেজো ভাই  তাদের মানেনি  কোন সুরাহা হয়নি  পরবর্তী কোন সমাধান না পেয়ে  আমাদের নিকট আত্নীয় সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার সাহেবের নিকট সরাপন্ন হই। 

 তিনি ঘটানাটি  বিস্তারিত শুনে দীর্ঘদিনের এ বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দেন। সেই প্রেক্ষিতে গত শনিবার দুপুরের দিকে কবির বিন আনোয়ার আমাদের বাড়িতে যান। এরপর উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। সেই সঙ্গে দুই ভাইয়ের মধ্যে যেন সু-সম্পর্ক বজায় থাকে এ জন্য আমাকে দিয়ে মেজো ভাইয়ের কাছে মাফ নেয়ান। কিন্তু বিরোধটি যেন সমাধান না হয় এ জন্য ভাই  উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে কবির বিন আনোয়ার অসন্তষ্ট হয়ে চলে যান। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় মেজো ভাই আবারও উল্টো মিথ্যা অভিযোগ করে একটি সংবাদ সম্মেলন করে। এতে বলা হয় তাকে নাকি আমরা মারধর করেছি। মূলতঃ ওই বৈঠকে কবির বিন আনোয়ার সাহেব আমাদের  দুই ভাইকে আপস হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। ওইসময়ে  কাউকে মারধর করা হয়নি এটা সম্পন্ন মিথ্যা কথা। 

এদিকে অভিযুক্ত রেজাউল হক মিয়া বলেন, আমি ১৯৭৭ হতে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মায়ের নামের জমি ক্রয় বাবদে জার্মান থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা পাঠিয়েছি। ওই টাকা দিয়েই মূলত মায়ের নামের জমি গুলো ক্রয় করা হয়। এ জন্য ওই জমি আমার। এখানে ছোট ভাইয়ের কোনো প্রাপ্যতা নেই। ছোট ভাইয়ের দাবি অযৌক্তিক। পিতা মাতার মালিকানা জমি তো প্রত্যেক ভাই ও বোন পাবে, এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো জবাব দেননি। 

কামারখন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম. শহিদুল্লাহ সবুজ বলেন- তাদের দুই ভাইয়ের বিরোধ দীর্ঘদিনের। এ জন্য আমি নিজেও বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য আপ্রাণ  চেষ্টা করেছি কিন্তু রেজাউল হক কারও কথা না  শোনায় নিষ্পত্তি হয়নি। 

এ প্রসঙ্গে সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার  বলেন, উভয় আমার আত্মীয় তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। দুই ভাইয়ের মধ্যে কয়েকটি মামলা মোকদ্দমাও চলছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগীর পক্ষে স্থানীয় শিক্ষকরা মানববন্ধনও করেছিল। এ জন্য আমি ভাবছিলাম বসে মীমাংসা করি। পরে রেজাউল হকের সাথে ফোনে কথা বলে নিজে দাওয়াত করায়   তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিষ্পত্তি চাইলেও রেজাউল চায় না। পরে আমি তাদের অনুরোধ করে এসেছি নিজেদের মধ্যে ঝামেলা না করার জন্য ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
  • © All rights reserved © 2023 Daily Sirajganj News
Website Developed by UNIK BD